বৃহস্পতিবার , ফেব্রুয়ারি ২০ ২০২০
Home / সাহিত্য / প্রবন্ধ / লালন কালামে নবীতত্ত্ব

লালন কালামে নবীতত্ত্ব

সাইফুদ্দিন সাইফুল : যুগে যুগে কালে কালে এবং বর্তমান পর্যন্ত এই মানব ধরাধামে যতো নবী রাসুল পয়গম্বর সাধু গুরু বাউল ফকির ওলি আউলিয়া দরবেশ এসেছে, তারা সতত মানব মুক্তির পথ চিনিয়েছে। মূলত এসকল মানুষেরা কালের সন্তান যুগের মহানায়ক কালান্তরের পথিক। আমরা জানি যে, উল্লেখিত সবশ্রেণী সকল শ্রদ্ধেয় মানুষগুলোর মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহাপ্রভুর প্রিয় হাবিব আখেরী নবী বিশ্বনবী মহাত্মা হযরত মুহাম্মদ (সা.) মোস্তফা এই বিশ্বজগতের পরম আশীর্বাদ ও রহমত হয়ে মহান আল্লাহর নিকট থেকে প্রেরিত হয়েছিলেন। মহান আল্লাহ নিজেই প্রিয় নবীজির সম্পর্কে বলেছেন- ‘আল্লাহর রাসুলের (মুহাম্মদ সা.) মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ’ (সুরা আহজাব-২১)।

বাংলা ভাষায় বাংলা ভাব সংগীতে বাউল গানে মানব জাতির জন্যে প্রেরিত মহামানব হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম ও তার আদর্শের কথা বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে। এদিকটা দেখলে বাংলার মরমী সাধক ফকির লালন শাহের কালামে (সংগীত) নবীর (সা.) আদর্শিক আধ্যাত্মিক ও মারফতের রূপটায় অন্যদের চাইতে অনেক বেশি প্রকাশ পেয়েছে। বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত, মহান দার্শনিক নবী মোস্তফা (সা.) এই সমাজে এসে আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের কাছে সত্যের দাওয়াত দিলেন, তিনি নতুন আইন নিয়ে এলেন মানবজাতির মুক্তির জন্যে, অদ্বিতীয় আল্লাহর কথা শুধালেন; মানুষের কিসে মুক্তি আর কিসে নাজাত নেই তারই বাণী মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছালেন। নবী (সা.) তিনি তার উত্তম চরিত্র ও আদর্শের দ্বারা জগতকে এবং জগতের মানুষের হৃদয় কেড়েছেন। আল্লাহ বলেছেন- ‘নিশ্চয় আপনি (সা.) মহান চরিত্রের অধিকারী’ (সুরা কলম-৪)। ফকির লালন এই শান্তির বাহককে তার কালামে উপস্থাপন করেছেন অতীব গুরুত্ব এবং ভাবমন ভাবের ভাবুক জেনে ও মেনে।

সাধক লালন বলেছেন-

নবী দ্বীনের রাসুল নবী খোদার মকবুল

ও নাম ভুল করিলে যাবি মারা

হারাবি দুই কূল

…………………………………………..

নবী আওয়ালে আল্লাহর নূর

দুওমেতে তওবার ফুল

ছিওমেতে ময়নার গলার হার,

চৌঠমেতে নূর সিতারা

পঞ্চমে ময়ূর…………..

জানি যে, আল্লাহর নূরে রাসুল (সা.) পয়দা আর রাসুলের নূরে সারা জগতময় পয়দা করা হয়েছে। যদিও পিতা আব্দুল্লাহ এবং মাতা আমেনার ঐরসে নবীর (সা.) জন্ম, তবে তিনি মহান আল্লাহর খোদ কুদরতে তারই নূরে সৃষ্টি হয়েছেন। শুধুমাত্র নবীকে (সা.) মানব সন্তান কিংবা আব্দুল্লাহর পুত্র ভাবা যাবে না, তিনি স্বয়ং আল্লাহর নূরের অংশ। সেই নবীকে ভালোবেসে হৃদয়ের মণি কোঠায় স্থান দিলেই নবীওয়ালা হওয়া যায়। আল্লাহ বলেছেন- আর যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং মুহাম্মদের (সা.) প্রতি যা নাযিল (কোরআন) করা হয়েছে তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে আর তা তাদের রবের পক্ষ হতে (প্রেরিত) সত্য; তিনি তাদের থেকে তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেবেন এবং তিনি তাদের অবস্থা সংশোধন করে দেবেন (সুরা মুহাম্মদ-২)। মহানবী (সা.) মানবরূপে যে আসলে কে তা কোরআনের এই আয়াতে তুলে ধরা হয়েছে।

লালন সাইজি বলেছেন-

শুনি নবীর অঙ্গে জগত পয়দা হয়

সেই যে আকার কী হলো তাঁর

কে করে নির্ণয়

……………………………………

আব্দুল্লাহর ঘরেতে বলো

সেই নবীর জন্ম হলো

মূলদেহ তাঁর কোথায় ছিল

কারে বা শুধাই…………..

মানুষ মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীর সকল মানুষের ব্যক্তি জীবনে পারিবারিক জীবনে সামাজিক জীবনে রাজনৈতিক জীবনে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে এক অনুপম আদর্শ হয়ে চির ভাস্বর উজ্জ্বল আলোকিত অসাধারণ ব্যক্তিত্বরূপে অধিষ্ঠিত। যদি মুক্তির পথ পেতে চায় তাহলে নবীর (সা.) অনুকরণ অনুসরণ এবং তার সুমহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হলে তবেই জীবনের মুক্তির দিশা খুঁজে পাওয়া যাবে। নবীর (সা.) জ্যেতির্ময় জীবনাচার গ্রহণের মাধ্যমেই এই মানবজীবন ধন্য হবে এবং মহান আল্লাহর সানি্নধ্য পাওয়া হয়ে উঠবে এতে নেই কোনো সন্দেহ। এটাই সত্যি যে, মহাত্মা নবী মুহাম্মদ (সা.) মানুষের জন্যে আশীর্বাদ স্বরূপ, মানুষের মুক্তির জন্যেই তার এই ধরাধামে আাসা; পারের কা-ারি হয়ে তিনি হায়াতুল মুরসালিন নাম ধরেছেন। নবীকে (সা.) চিনলে তাই মহান আল্লাহর সন্ধান পাওয়া যায়।

লালন বলেছেন-

নবী না চিনলে সে কি খোদার ভেদ পায়

চিনিতে বলেছেন খোদে সেই দয়াময়

……………………………………………..

যে নবী পারের কা-ার

জিন্দা সে চার যুগের উপর

হায়াতুল মুরসালিন নাম তাঁর

সেই জন্য কয়…………….

একথা অতীব সত্য যে, একটা সময়ে মদিনাবাসীরা ছিল অন্ধকারে; আপন সত্তাকে প্রভুকে তারা না চিনে না জেনে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো জীবনযাপনে অতিবাহিত করতো। বাপ-দাদাদের তথাকথিত ধর্মীয় বিশ্বাস আর মিথ্যে প্রভু বা খোদার নিকট নিজেদের সমর্পণ করতো। একে অপরের সাথে মারামারি কাটাকটি ফ্যাতনা-ফ্যাসাদে জড়িয়ে পড়তো। এক কথায় মদিনাবাসীরা ছিল বনবাসীর মতোই। কিন্তু মহান খোদার প্রিয় দোস্ত বিশ্ব-মহামানব বিশ্বগুরু নবী মুহম্মদ (সা.) অপারের কা-ারি হয়ে অন্ধকারে বাতি জ্বালিয়ে সত্যকে ধারণ করে মদিনাবাসীদের বনবাসী থেকে উদ্ধার করে মদিনাবাসী করে তুলেছিল। আর তাই মদিনাবাসীরা নবীকে (সা.) নিজেদের জীবনের চেয়েও ভালোবেসে ছিলেন। তারা নবীর কাছ থেকে জ্ঞান লাভ করেছেন। আর সেই প্রিয় নবী (সা.) যখন মদিনাবাসীকে ছেড়ে তার প্রিয় বন্ধু আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরলোকে পাড়ি জমালেন, তখন সকল মদিনাবাসীর কি অবস্থা হয়েছিল তা শুধুমাত্র মদিনাবাসীই জানে।

সাইজি কালামে বলেন-

তোমার মতো দয়াল বন্ধু আর পাবো না,

দেখা দিয়ে ওহে রসুল

ছেড়ে যেও না।

………………………………………….

আমরা ছিলাম বনবাসী / করে গেলে মদিনাবাসী

তোমা হতে জ্ঞান পেয়েছি / তাই আছি সান্ত্বনা…………..

মর্তলোকের এই জগৎ বড়ই বিচিত্র, আনন্দের, হাসি-কান্নার, সুখ-দুঃখের, স্বার্থপরতার এবং পাওয়া না পাওয়ার মধ্যে বিরাজিত। আর স্বর্গলোকের জগৎ অতীব আনন্দের, হাসির, সুখের ও পরম আরামের। এই পার্থিব জগতের চাইতে সেই অনন্ত জগতের শান্তি অনেক বেশি সুখের ও কামনার। এই দুই জগতের মাঝে আছে একটি নদী, সেই নদীকে পেরিয়ে ওই পারে যেতে হয়; আর তার জন্যে প্রয়োজন হয় একটি রূপকাষ্ঠের নৌকা। আর এই রূপকাষ্ঠের নৌকার মালিক নবী (সা.)। আল্লাহ বলেছেন-‘রাসুল (মুহাম্মদ সা.) তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ করো আর যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো’ (সুরা হাশর-৭)। মহাত্মা লালন ফকির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহানবীর (সা.) সেই দেখানো পথকে অর্থাৎ রূপক অর্থে নৌকার (কামেল মোরশেদ চেতনধারী দিব্যজ্ঞানের অধিকারী সাধকের আদর্শিক বলয়) রূপকাষ্ঠের সাথে বিশ্বাসের জায়গা থেকে তুলনা করেছেন। মূলত এই রূপকাষ্ঠের নৌকাখানী চিনলে জানলে এবং বুঝে শুনে তাতে উঠে পাড়ি দিলে ক্ষণ-জীবনে ও মরণে আর কোনো ভয় বা ভীতি থাকে না। এই নৌকার সকল আরোহীরা ঠিকঠিক তাদের গন্তব্য মঞ্জিলে পৌঁছে যাবে সব বালা-মুছিবতকে পেছনে ফেলে। নবীর (সা.) এই নৌকা সতত সত্য সুন্দর সবুজ ও অভয়ের কা-ারি।

সাধক লালন শাহ বলেছেন-

পারে কে যাবি নবীর নৌকাতে আয়

রূপকাষ্ঠের এই নৌকাখানী

নাই ডোবার ভয়

……………………………………..

নবী না মানে যারা

মোহাহেদ কাফের তারা

এই দুনিয়ায়………………

নবীর মতো একজন সোনার মানুষকে চিনতে পারলে জানতে পারলে তবেই না সত্য খোদাকে চেনা যায় তাকে পাওয়া যায়। মূলত আল্লাহকে চিনতে হলে আল্লাহকে জানতে হলে প্রথমত নবী মুহাম্মদ (সা.)কে চিনতে হবে ও জানতে হবে। অর্থাৎ নবীর দেখানো পথে চলতে পারলেই নবীকে পাবো আর নবীকে পেলে আল্লাহকেও পাবো। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলছেন, ‘আপনি (হে নবী সা.) বলুন, তোমরা যদি আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাও, তবে আমাকে অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন। তোমাদের গোনাহ মাফ করে দেবেন’ (আল ইমরান-৩১)। এখানে রাসুলকে অনুসরণ করতে হবে, তাকে আল্লাহর পক্ষ হতে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে এবং তার স্বভাব চরিত্র আচার-আচরণ আদর্শ মেনে নিতে হবে, নবীকে আপনার চাইতে ভালোবাসতে হবে। নবী আর রাসুলকে চিনতে পারলেই সেই পরম সত্তা মহান খোদাকে চেনা যাবে।

সাইজি তাই বলেছেন-

রসুলকে চিনলে পরে

খোদা চেনা যায়,

রূপ ভাড়ায়ে দেশ বেড়ায়ে

চলে গেলেন দয়াময়

……………………………………

জন্ম যার এই মানবে

ছায়া তাঁর পড়ে না ভূমে

দেখো দেখি ভাই বর্তমানে

কে এলো মদিনায়…………..

মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী করীম (সা.) যে ধর্ম (সত্য) বা দ্বীন (ইসলাম) নিয়ে এসেছেন এবং মানুষকে তার দাওয়াত দিয়েছেন তা অবশ্যই সত্য আর নির্ভুল এতে কোনো সন্দেহ নেই। কাজেই যে নবী (সা.) মানুষের জন্যে উত্তম আদর্শের মানদ-, যিনি তার প্রভুকে (আল্লাহ) সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছেন, সত্যবাদী হয়ে জীবনকাল পার করেছেন সেই নবী (সা.) যে ধর্মের কথা প্রচার করবেন, মানুষের কাছে দাওয়াত দিবেন এবং এহকাল ও পরকালের মুক্তির কথা বলবেন তা চির সত্য ধর্ম হবে সত্য দ্বীন হবে সত্য বাণী হবে এতে আর সন্দেহ কী? আল্লাহ বলেছেন, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। নিশ্চয় আল্লাহর নিকট দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।’ (আল ইমরান, ১৮-১৯)।

অবোধ লালন বলেছেন-

ভুলো না মন কারো ভোলে

রাসুলের দ্বীন (ইসলাম) সত্য মানো

ডাকো সদাই আল্লাহ বলে

……………………………………………

খোদাপ্রাপ্তি মূল সাধনা

রাসুল বিনে কেহ জানে না,

জাহের বাতেন উপাসনা

রাসুল দ্বারা প্রকাশিলে………….

একজন মানুষ মুহম্মাদ (সা.) সারাটি জীবন মহান আল্লাহর নির্দেশিত চির কল্যাণকর আদর্শের সহজ সরল পথে চলেছেন এবং অপরকেও সেই পথে চলতে সতত তাগিদ দিয়েছেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে তার উপরে অর্পিত গুরু দায়িত্ব তিনি মনে-প্রাণে ধারণ করে তা যথাযথ প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। নবী (সা.) তাই হায়াতুল মুরসালিন, খাতেমুন নাবিউন, তিনি আমাদের শাফায়েতকারী; অপারের কা-ারি। নবী (সা.) তাই সত্য সঠিক জেনে ও মেনে পৃথিবীর মানুষকে জাহের-বাতেনের সুশিক্ষা দিয়েছেন, তিনি বিনা কড়িতে অমূল্য দোকান খুলে দোকানদার হয়ে আখেরে মুক্তি পাওয়ার যতো ধন বিক্রয় করেছেন। নবীর (সা.) সেই দোকান থেকে আমরা মানুষেরা যদি ধন ক্রয় করতে পারি তবেই তো এই জীবন স্বার্থক আর পরকালে মুক্তি। কিন্তু যদি নবীর (সা.) দেয়া সওদা ক্রয় করতে না পারি তাহলে অবশ্যই আখেরে ভীষণ পস্তাতে হবে। আল্লাহ বলেছেন, হে মুমিনগণ! আল্লাহ তার রাসুলের (সা.) আনুগত্য করো এবং তোমরা যখন তার কথা শুনছো তখন তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না’ (সুরা আনফাল-২০)। আর তাই নবীর (সা.) দ্বীনকে মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে। কেননা, নবী আওয়াল (অনন্ত / আদি) এবং তার ডঙ্কা বাজে মক্কা ও মদিনাতে।

মহাত্মা লালন বলেছেন-

আয় গো যাই নবীর দ্বীনে

নবীর ডঙ্কা বাজে,

শহর মক্কা মদীনে।

…………………………………………..

অমূল্য দোকান খুলেছেন নবী / যে ধন চাবি সে ধন পাবি

বিনা কড়ির ধন, সেধে দেয় এখন / না লইলে আখেরে পস্তাবি মনে………….

একথা দিব্য সত্য যে, ফকির লালনের গানে একটা বৃহত্তর অংশ জুড়ে আছে আল্লাহ ও নবীর কথা। এই মায়াভরা জগৎ সংসারে বাউল ফকির সাধকেরা আল্লাহ ও রাসুলের (সা.) প্রেমে সতত মশগুল থাকে। আত্মারূপে পরমাত্মার দর্শনে এবং রাসুলের (সা.) প্রেমে দিওয়ানা হয়ে দিব্য জ্ঞান আয়ত্বে আপনাকে সাধকের খাতায় নাম লেখাতে হয়। আউল বাউল ফকির শাহ দরবেশ মহাজনেরা সদানিত্য নবীর (সা.) প্রতি দরুদ পাঠ করেন। মহান আল্লাহর প্রিয় হাবীব ও রাসুল, বিশ্ব মানবতার বন্ধু এবং বিশ্ব জগতের পরম কা-ারি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি লাখো কোটি দরুদ ও সালাম।

সূত্র : দৈনিক জনতা

পোষ্টটি 127বার পঠিত

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন

Check Also

রুদ্র অয়নের গল্প “কালো ছেলে”

টিউশনি করানোর চতুর্থ দিনের মাথায় ছাত্রীর মা অনিককে ডেকে হাতে কিছু টাকা দিয়ে বলল, ‘কাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *