বৃহস্পতিবার , ফেব্রুয়ারি ২৭ ২০২০
Home / ফটোগ্যালারী / এনার্জি বাড়াতে স্ন্যাক্স

এনার্জি বাড়াতে স্ন্যাক্স

বাংলাবাজার২১ : আমরা এনার্জি পাই খাবার থেকে। তবে সব খাবার তো আমাদের শরীরে একইরকম প্রভাব ফেলে না। তাই এনার্জি বাড়াতে শুধু খাবার খেলেই চলবে না, কী খাবার খাচ্ছেন এবং কখন খাচ্ছেন, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে…

আমরা প্রত্যেকেই একরাশ এনার্জি নিয়ে প্রতিটা দিন শুরু করি। কিন্তু কাজের চাপ, খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম, দূষণ ইত্যাদি মিলিয়ে দুপুর গড়াতে না গড়াতেই এনার্জি তলানিতে এসে ঠেকে। এনার্জি কমার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে টক্সিনের পরিমাণ বাড়ে আর পাশাপাশি শরীর ঝিমিয়ে পড়তে শুরু করে। তাই শরীরের গতি বাড়াতে আমরা সাহায্য নিই পেয়ালা-পেয়ালা কফি, সিগারেট এবং আরও নানা এনার্জি বাড়ানোর দাওয়াইয়ের। এতে শরীর সাময়িকভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়ে ঠিকই, কিন্তু এনার্জির পরিমাণে বিন্দুমাত্র তারতম্য হয় না। এই ধরনের পানীয় বা অভ্যাসে হয়তো সাময়িকভাবে কাজ করতে সুবিধা হয়, তবে শরীরের সমস্যা আরও বাড়ে বই কমে না।

আমরা এনার্জি পাই খাবার থেকে। তবে সব খাবার তো আমাদের শরীরে একইরকম প্রভাব ফেলে না। তাই এনার্জি বাড়াতে শুধু খাবার খেলেই চলবে না, কী খাবার খাচ্ছেন এবং কখন খাচ্ছেন, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আপনার এই ফুড চয়েসই কিন্তু ঠিক করবে সারাদিন আপনি ঠিক কতটা এনার্জিতে থাকবেন। সাধারণত আমাদের শরীরে বিকেল বা তারপর থেকে এনার্জির অভাব দেখা দিতে শুরু করে। আমরা বেশিরভাগ মানুষই বিকেলের জলখাবারের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিই না। খিদে পাক বা না পাক, চপ, সিঙাড়া, ফুচকা, বার্গার, হাতের কাছে যা পাই তাই খেয়ে ফেলি। আপনি ভাবলেন যে শরীরে খাবার পাঠাচ্ছেন মানেই শরীরে এনার্জি ফিরে আসবে। কিন্তু এতে শরীরে উলটো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এইসব খাবারে থাকা ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট শরীরে আরও ক্লান্তি বাড়ায়। চেষ্টা করুন বিকেলের দিকে কিছু স্মার্ট স্ন্যাক্স খেতে। এমন কিছু খেতে চেষ্টা করুন যা খাবার হিসেবে বেশ হালকা, অথচ পুষ্টিও থাকবে ভরপুর। এর খুব সহজ উদাহরণ হতে পারে স্প্রাউট ভেল। বিকেল বা সন্ধের সময় টক-ঝাল খাবার খেতে আমরা সকলেই পছন্দ করি আর স্প্রাউট ভেল সবার কাছেই বেশ সহজলভ্য। মহিলাদের রক্ত এবং হাড়ের জন্য তো স্প্রাউটস খুবই উপকারী। এতে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালশিয়াম এবং আয়রন—এই চারটি প্রয়োজনীয় উপাদানই বর্তমান। এছাড়া এতে চিনাবাদাম, হুইট ফ্লেক্স, টকদই, শসা, গাজর, টোম্যাটো ইত্যাদি উপকরণও ব্যবহার করতে পারেন। এই প্রতিটিই শরীরে এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করবে। এক টুকরো মাছ বা মাংসে যে পরিমাণ প্রোটিন থাকে, সম পরিমাণ চিনাবাদামেও কিন্তু একই পরিমাণ প্রোটিন পাবেন। পাশাপাশি ভিটামিন, সেলেনিয়াম, লাইকোপেনের মতো নিউট্রিয়েন্টস এবং বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও পাবেন যা শরীরে তৈরি হওয়া টক্সিন কমিয়ে ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করবে। এই খাবার কিন্তু বেশ ফিলিংও। খিদেও মিটবে আর দিনের শেষেও আপনি থাকবেন চনমনে, প্রাণবন্ত।

স্প্রাউট ভেল

উপকরণ: স্প্রাউট ৪ টেবলচামচ, হুইট ফ্লেকস ৪ টেবলচামচ, চিনাবাদাম একমুঠো, টকদই ১ কাপ, শসাকুচি ১ কাপ, গাজরকুচি ১ কাপ, টোম্যাটোকুচি ১ কাপ, ধনেপাতাকুচি ২ চা-চামচ, চাটমশলা ১ চিমটে, নুন স্বাদমতো, পাতিলেবুর রস ২ চা-চামচ।

প্রণালী: একটি বাটিতে শসাকুচি, টোম্যাটোকুচি এবং গাজরকুচি নিন। এতে স্প্রাউটস মেশান। যদি কাঁচা স্প্রাউট খেতে অসুবিধা হয়, সেক্ষেত্রে গরমজলে ১৫ মিনিট স্প্রাউটস ভিজিয়ে রেখে তারপর ব্যবহার করুন। এতে হুইট ফ্লেকস, চিনাবাদাম, চাটমশলা, নুন মিশিয়ে টস করে নিন। উপর থেকে পাতিলেবুর রস এবং ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

সূত্র : সানন্দা

পোষ্টটি 142বার পঠিত

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন

Check Also

ভালোবাসা নিয়ে বিখ্যাত লেখকদের উক্তি

বাংলাবাজার২১ : ভালোবাসা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিশ্বের সেরা লেখকরা বিভিন্ন রকম উক্তি দিয়েছেন। শেক্সপিয়ার থেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *